শ্রাবণের এক রাতে সন্তানহীন বিধবা কাদম্বিনীর হৃদস্পন্দন কোন কারণে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। জমিদার শারদাশংকর ভ্রাতৃবধূ আসলে মরেছে কী না তা জানার জন্য ডাক্তার ডাকেননি। পাছে মৃত্যুর কারণ জানতে গৃহে পুলিশি উপদ্রব ঘটে এই ভয়ে রাতেই লোকালয় থেকে দূরের এক শ্মশানে মৃতদেহ দাহের জন্য পাঠান। ঘটনাক্রমে জমিদারের লোকজনের দাহের প্রস্তুতির মধ্যেই তার হৃদযন্ত্র সচল হয়ে উঠে। শ্মশান এলাকা ছেড়ে নানা পথ পেরিয়ে একদিন সে তার চিরচেনা গৃহে ফিরে আসলেও কাদম্বিনীকে প্রেতাত্মা মনে করে পরিবারের লোকেরা তাকে আগের স্থান দেয়নি। শেষ পর্যন্ত কাদম্বিনী সবার চোখের সামনে পুকুরে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করে তার বেঁচে থাকার প্রমাণ দিল। (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত 'জীবিত ও মৃত' গল্প অবলম্বনে)
1.
FCC 23